রোজ বেদানা খান এবং মেদ ভুঁড়ি কমান

 

Pomegranate for Weight Loss

রোজ খাবারে বেদানা থাকলে, মেদ ঝরাতে আর বেদনা পেতে হবে না      

ওজন ঝরাতে অন্য বিষয়গুলির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ হল খাওয়াদাওয়া। নানা রকম ফলের মধ্যে ওজন ঝরাতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী হল বেদানা।


রোজ বেদানা খান এবং মেদ ভুঁড়ি কমান
   

 Image of Pomegranate বেদানার ছবি

দেহের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে প্রচুর কসরত করছেন। নিয়মিত ব্যায়াম, শরীরচর্চা, সাইকেল চালানো, হাঁটাহাটি পারলে সাঁতারসবই করছেন। খাবারের বিষয়েও সচেতন হয়েছেন। বিরিয়ানির গন্ধ নাকে এলেও রেস্তরাঁর দিকে ধেয়ে যাচ্ছেন না। বাইরের তেলমশলা দেওয়া খাবার এড়িয়ে চলছেন। খাবারের তালিকায় প্রচুর পরিমাণে ফলও রাখছেন। তবুও কাঙ্খিত ফল মিলছে না। পুষ্টিবিদেরা বলছেন, ওজন ঝরাতে অন্য বিষয়গুলির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ হল খাওয়াদাওয়া। নানা রকম ফলের মধ্যে ওজন ঝরাতে বিশেষ ভাবে কার্যকর হল বেদানা।

ওজন ঝরাতে কী ভাবে সাহায্য করে বেদানা?

 

) ক্যালোরির পরিমাণ কম

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে কম ক্যালোরির খাবার খেতে হয়। ১০০ গ্রাম বেদানাতে ক্যালোরির পরিমাণ ৮৩। তাই টুকটাক মুখ চালানোর জন্য এই ফল রাখা যেতেই পারে।

) ফাইবারের পরিমাণ বেশি

বেদানা খেলে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল থাকে। কারণ, এই ফলে ফাইবারের পরিমাণ অনেকটাই বেশি। অন্ত্র এই ফাইবার থেকেই পুষ্টিগুণ শোষণ করে। বেদানা খেলে অনেক ক্ষণ পর্যন্ত পেট ভর্তি থাকে।

) অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট

শুধু ওজন ঝরাতে নয়, সার্বিক সুস্থতার জন্য অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট গুরুত্বপূর্ণ। বেদানায় পলিফেনল এবং ফ্ল্যাভোনয়েডের মতো অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।

) বিপাকহার

ওজন ঝরাতে গেলে বিপাকহার ভাল হওয়া প্রয়োজন। বেদানায় যে পরিমণ অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে, তা বিপাকহার উন্নত করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, বেদানায় থাকা পলিফেনল বিপাকহারের উপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলে।

) শরীর আর্দ্র রাখে

পর্যাপ্ত পরিমাণে জল না খেলে শরীরে টক্সিন জমবে, মেদ সহজে ঝরবে না। বেদানায় জলের পরিমাণ অনেকটাই বেশি। তাই বার বার শুধু জল না খেয়ে শরীরে জলের জোগান দিতে বেদানাও খাওয়া যেতে পারে।

English Translation of the above article ------

Pomegranate for Weight Loss

If you have currants in your daily diet, you won't have to suffer from fat loss
Diet is important among other factors in weight loss. Among the various fruits, currants are particularly effective in losing weight.

You take a lot of exercise to shed excess fat your body. You also have regular exercise, bodybuilding, cycling, walking and if possible also swimming. You have also become aware of food. The smell of biryani comes to your nose but you do not rush towards the restaurant. You also avoid food containing foreign oils. A lot of fruits are also included in your daily food list. However, the desired result is not fulfilled. Nutritionists say that diet is important among other factors in losing weight. Among the various fruits, currants are particularly effective in losing weight.
 

How does currant help to lose weight?

1) Low in calories

To keep weight under control, you need to eat low calorie food. Calorie content in 100 grams of currants is 83. So this fruit can be kept for running the mouth.


2) High in fiber

 Eating currants improves intestinal health. This is because the amount of fiber is very high. The intestines absorb nutrients from this fiber. Eating currants keeps the stomach full for a long time.


3) Anti-oxidant

Antioxidants are important not only for weight loss, but for overall health. Currants contain antioxidants like polyphenols and flavonoids, which also help regulate blood sugar levels.


4) metabolic rate

If you want to lose weight, you need to have a good metabolism. The amount of anti-oxidants present in currants helps in improving metabolism. Various studies have shown that the polyphenols in currants have a significant effect on metabolism.


5) Keeps the body moist

If you don't drink enough water, toxins will accumulate in the body, fat will not be shed easily. Water content is very high in currants. Therefore, instead of drinking only water, currants can also be eaten to supply water to the body.

 

 

Drinks for Cholesterol Patients

কোলেস্টেরলের সমস্যা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না? পানীয় অবশ্যই রাখুন রোজের খাদ্যতালিকায়

কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চর্বিজাতীয় খাবার, চিপ্, ভাজাভুজি, শর্করাযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলবেন তো বটেই, সেই সঙ্গে রোজের খাদ্যতালিকায় কিছু পানীয় রাখলেও এই রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

কারও যদি ডায়াবিটিস থাকে, তা হলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

কোলেস্টেরলের সমস্যা এখন প্রায় ঘরে ঘরে। ট্রু কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড, এইচডিএল, এলডিএলএই চারটি মিলেই মূলত তৈরি হয় কোলেস্টেরলের পরিবার। অনেকের ধারণা, চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খেলেই কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। সব ক্ষেত্রে ধারণা ঠিক নয়। আসলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়বে কি না, তা নির্ভর করে প্রত্যেকের শরীরের বিপাক হারের উপর। কারও যদি ডায়াবিটিস থাকে, তা হলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লে তা রক্তবাহের মধ্যে সঞ্চিত হয়। রক্তবাহকে সরু শক্ত করে ফেলে। রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে। ফলে রক্তচাপ বাড়ে এবং তার সঙ্গে সঙ্গে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায় কয়েক গুণ।

কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চর্বিজাতীয় খাবার, চিপ্, ভাজাভুজি, শর্করাযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলবেন তো বটেই, সেই সঙ্গে রোজের খাদ্যতালিকায় কিছু পানীয় রাখলেও এই রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। জেনে নিন রোজের ডায়েটে কোন পানীয় রাখলে জব্দ হবে কোলেস্টেরল।

) টম্যাটোর রস: টম্যাটোতে উপস্থিত লাইকোপিন শরীরে লিপি়ডের মাত্রা বাড়াতে এবং লাইপোপ্রোটিনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এতে নিয়াসিন কোলেস্টেরল কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় ফাইবারও থাকে। রোজ আধ কাপ করে টমেটোর রস খেতে পারলে কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

রোজ আধ কাপ করে টমেটোর রস খেতে পারলে কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

) গ্রিন টি: অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি-তে থাকাক্যাটাচিনশরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ১২ সপ্তাহ ধরে নিয়মিত গ্রিন টি খেলে শরীরে লাইপোপ্রোটিনের মাত্রা প্রায় ১৬ শতাংশ কমে যায়।

) ওট্সের দুধ: রোজের খাদ্যতালিকায় ওট্সের দুধ থাকলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে কোলেস্টেরল। ওটসের দুধে রয়েছে বিটা গ্লুকোন। তা শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

) সয়া দুধ: এই দুধে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ খুবই কম। একেবারে নেই বললেই চলে। দীর্ঘ দিন ধরে উচ্চ কোলস্টেরলের সমস্যায় ভুগে থাকলে শরীর সুস্থ রাখতে রোজের খাদ্যতালিকায় অনায়াসে রাখতে পারেন সয়া দুধ। শুধু কোলেস্টেরল নয়, হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে এই পানীয়।

) রেড ওয়াইন: কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে অন্যান্য অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। তবে পরিমিত পরিমাণে রেড ওয়াইন খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বিপদসীমার নীচে থাকে। এতে অনেক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে। নিয়ম মেনে খাওয়া গেলে হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্যরক্ষাও করে এই পানীয়

English Translation of the above article ------

 

 

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post